কলেজ স্ট্রিটে নস্টালজিক একদিন : কফি হাউসে আড্ডা সাথে বই কেনার মিষ্টি অনুভূতি।

ব্লগটা শুরু করার আগেই সকলের কাছ থেকে আমি ক্ষমা চেয়ে নিচ্ছি। কারণ আজকের ব্লগটি হিসাব  অনুযায়ী দুই দিন আগেই পোস্ট করার দরকার ছিল। কিন্তু দুর্ভাগ্যবশত আমার সাংসারিক কাজের জটিলতায় ধারাবাহিকভাবে লিখতে আমি পারিনি।। তার জন্য আমি সকলের কাছে ক্ষমাপ্রার্থী। আগের ব্লগটি শেষ করার আগে আমি বলেছিলাম আগামীকাল অর্থাৎ 6 তারিখ আমি কলকাতায় যাব। এবং অবশ্যই  কলেজ স্ট্রিট যাব বই পাড়ায়।  সেই দিনের কিছুমুহূর্ত গুলোকে একই সুতোয় বেঁধে আপনাদের সাথে শেয়ার করব। সর্বোপরি নিজের জন্য আমার এই ডিজিটাল ডায়েরিতে সঞ্চয় করে রাখবো। 


আমি সেই মতো 6 তারিখ কলকাতা গিয়েছিলাম। আজ সেই দিনটারই কিছু স্মরণীয় ঘটনা আমি লিপিবদ্ধ করব। অবশেষে অল্প একটু অবসর পেলাম। নিজের জন্য এটা খুব মানসিক প্রশান্তির প্রহর। এখন রাত দুটো আমি লিখতে বসেছি। আজকে এই টাইমে আমি লিখতে বসবো ভেবে ঘড়িতে অ্যালার্মও দিয়ে রেখেছিলাম। কিন্তু অ্যালার্ম এর  প্রয়োজন পরেনি । কারণ আমার ঘুমই আসেনি। ব্লগটি লেখার তাড়নায়। আজই লিখতে হবে  এটাই ছিল আমার দৃঢ় প্রতিজ্ঞা। 


শুরুতেই বলি মন কেমন করলেই কিংবা ছুটি পেলেই  বই প্রেমী মানুষেরা যেমন কলেজস্ট্রিটে পৌঁছে যায় আমি কিন্তু সেটা পারিনা।। প্রথমত আমি একজন সংসারী মানুষ তাই হুটহাট করে বেরিয়ে পড়ার মতো মানসিক স্বাধীনতা নিজেই নিজেকে দিতে পারিনি। দায়িত্ব ও কর্তব্য এড়িয়ে নিজের ভালো-মন্দটা সম্পূর্ণরূপে প্রশ্রয় দিতে আজও আমি প্রস্তুত নই। সুতরাং বছরে ওই একবার মতোই কলেজ স্ট্রিট যাই তাছাড়া সারা বছর টুকটাক যা বই পড়ি অনলাইন থেকেই এখন কিনে নিই। এখন অনলাইনে সব কিছু পাওয়া গেলেও কলেজ স্ট্রিট, বইপাড়া সারা জীবনই বইপ্রেমী মানুষদের জন্য নস্টালজিক হয়ে থাকবে। এটা চিরন্তন সত্য।


আর তাই কলকাতায় যাব অথচ কলেজ স্ট্রিট যাবো না এটাতো হতেই পারে না। আমি যেখানে থাকি সেখান থেকে কলেজ স্ট্রিট এর দূরত্ব আড়াই ঘন্টা । আবার ট্রেন, বাসের টাইম এর গন্ডগোল থাকলে সেটা তো আবার বেড়ে এক অথবা দেড় ঘন্টা এক্সট্রা হয়েই যায়। ঠিক এত কিছুর জার্নিটাই আজ পুরোটা শেয়ার করব আপনাদের সাথে। অর্থাৎ আমার বাড়ি থেকে বেরোনোর মুহূর্ত, রাস্তাঘাটের বর্ণনা কেনাকাটা খাওয়া-দাওয়া থেকে সবকিছুর বর্ণনাই আজকের ব্লগের বিষয়বস্তু। 



দিনটা শুরু হয়েছিল সকাল সাড়ে ছয়টা থেকে। রবিবার ছুটির দিন তাই ওই দিন আমি একটু বেলা করেই ঘুম থেকে উঠি । যেহেতু ছুটির দিন তাই সকালে  কাজের তাড়া থাকে না। সেই জন্য অনেকটা রাত করেও ঘুমোই। মোবাইল স্ক্রোল করি,  বই পড়ি, বর মশাইয়ের সাথে রাতে বিছানায় পাশাপাশি শুয়ে ইয়ার্কি,  ঠাট্টা করি। ওই চিরসুখী দম্পতিরা যা করেন আর কি? আমিও তাদের ব্যতিক্রম নই। আচ্ছা, আসল কথায় ফেরা যাক। 


ঘুম থেকে উঠেই বরকে আধো ঘুমে জিজ্ঞাসা করলাম- কয় গো কয়টার ট্রেনে যাব আমরা? উনি ঘুমের মধ্যে উত্তর দিলেন। বেলা দশটার ট্রেনে। যাওয়ার সময়টা আমি আগের রাতেই জেনে নিয়েছিলাম। তবু সকালে উঠে কনফার্ম হয়ে নিলাম কারণ বাঙালির মন। এই বলবে ১০ টা পরক্ষণে বলবে না গো নটাতেই চলো।  না হলে ফিরতে দেরি হবে। অনেকটা দূরের রাস্তা। তখন আমি বাড়ির কাজগুলো গুছাতে পারবো না। সংসারের কাজ অসমাপ্ত রেখেই আমায় ছুটতে হবে। তাই সকালে একদম ফাইনাল জিজ্ঞাসা করে নিলাম। আর কি! এবার চটপট কাজে লেগে পরো ।দৈনন্দিন কাজ সেরে টেরে নেব ট্রেন ধরতে হবে। 


ও বাবা আগের দিন রাতে ভাবলাম ছুটির দিন রবিবারে বিশেষ কাজ নেই। সাড়ে ছটায় ঘুম থেকে উঠে আমি সাড়ে নটার মধ্যে তৈরি হয়ে নেব। কিন্তু ঘুম থেকে উঠেই কাজের লিস্ট শুনে আমার মাথায় হাত। পুজো করতে হবে,  চা করতে হবে। চাষের জমিতে কিষেন লেগেছে কাজের জন্য। তাদের জল খাবারের আয়োজন করতে হবে। আমাদের বাড়ির মোট সদস্য সংখ্যা পাঁচজন। সব মিলিয়ে অন্তত এক ডজন রুটি গড়তে হবে। ঘর মোছামুছি করতে হবে। আবার চিকেন কষাও করতে হবে। টিফিনে চিকেন দিয়ে রুটিটা খাবে তা বরমশাই আগের রাতেই বলে রেখেছিল। সুতরাং আগের রাতে চিকেন ধুয়ে ম্যারিনেট করে রেখেছিলাম। 


তিন ঘণ্টার মধ্যে এত কিছু কি করে করব ! মাথায় ওপর যেন আকাশ ফেটে পড়লো। উফ্ফ! ভাবতে বসলে তো হবে না । নিজের মন টাকে সুপারম্যান করে নিলাম আর চটপট কাজ সারতে লাগলাম। একটু বাথরুম যাওয়া জল খাওয়ারও অবকাশ নেই । দৌড় ঝাঁপ করতে করতে কাজ করতে লাগলাম এবং চটপট করে কাজগুলো হতেও থাকলো। সব রান্না শেষ করে যখন চিকেন টা স্টিম আঁচে  ফোটাতে দিলাম তখন ঘড়িতে দেখি সকাল আটটা তিরিশ মিনিট। আমার টার্গেট ছিল নয়টা পাঁচ মিনিটের মধ্যে স্নান কমপ্লিট করা। তিনটে ঘর দুটো লম্বা বারান্দা মুছে যখন ঘড়ি দেখলাম সময় ৮:৫০। কপাল দিয়ে ফোঁটা ফোঁটা ঘাম তখন পড়ছে। নাইটি পুরো ভিজে গেছে ঘামে। এত কম সময়ের মধ্যে ঘর মোছা অসম্ভব যদি না লাঠি করে ঘর মোছাটা আবিষ্কার হতো। যাইহোক স্নানে ঢুকলাম। বেরোলাম নটা পাঁচ মিনিটেই।



 সময়ের মান রেখেছি আমি। স্নান সেরে ঘরে ঢুকে আয়নায় নিজের অবয়বটা নিজেই দেখে বললাম সাবাস বেটা! এভাবেই চালিয়ে যা। নিজের প্রতিবিম্বর সাথে খানিক কথা বললাম। - দেখলি তো অত কাজ আছে ভেবে যদি মাথায় হাত দিয়ে বসে থাকতিস, তাহলে আজ ঠিক সময় মতো কাজটা মিটতো না। কর্ম করে গেলি তাই সফল হলি। এগুলোই জীবনের আসল শিক্ষা ।নিত্যদিনের জীবনধারা থেকে এভাবেই মানুষ অনেক কিছু শেখে । সময় মানুষের মনে এভাবেই অনেক বড় শিক্ষার বীজ বুনে দেয়। 


যাই হোক আমি যখন স্নান সেরে রেডি হচ্ছিলাম বর মশাই বললেন অত হুটোপুটি করতে হবে না।  দশটার ট্রেনটা আসবে দশটা পঁচিশ মিনিটে । রবিবার তাই ট্রেন লেট। উফ! বরমশাই এর মারফত কথাটা শুনে একটু যেন প্রাণভরে দম নেওয়ার সুযোগ হলো। আগে পাঁচ মিনিট বসে নিলাম। তারপর গেলাম ঠাকুর পুজো করতে। পূজো সারতে পনেরো মিনিট লাগে আমার। 


ঠাকুর পুজো সেবা দিয়ে আমি স্বামী ও ছেলের খাবার নিয়ে এলাম।  ওরা রুটি দিয়ে চিকেন খেলো।  ওদের খাওয়ার পর আমিও খেলাম।  আমাদের বাড়ি থেকে স্টেশনের দূরত্ব ৪ কিলোমিটার। সুতরাং টিফিনের বাসনপত্র মেইজে রেডি হয়ে দশটার সময় বাড়ি থেকে বেরোলাম । বরমশাই অনলাইনেই টিকিট কেটে নিয়েছিল।


এরপর চেপে পরলাম আমার বরের পক্ষীরাজের ঘোড়ায়। অর্থাৎ বাইকে । বাইকে করে স্টেশনে পৌঁছাতে সময় লাগে দশমিনিট । আমাদের স্টেশনটার নাম পোড়া বাজার।  এই প্রথম আমি স্টেশনটার নাম ব্লগে শেয়ার করলাম । যাই হোক স্টেশনে যখন পৌছালাম সময় ওই দশটা পনেরো মিনিট । বাইকটা গ্যারেজে রাখা হলো। ট্রেন আসতে এখনো কিছু মিনিট দেরি আছে ।স্টেশনে পৌঁছে যেন হাফ ছেড়ে বাঁচলাম। মনটা শুধু বলছিল অবশেষে আমি বেরোতে পারলাম।। আসলে আমাদের মত ঘরবন্দী গৃহবধূদের এতোটুকু হাওয়া বদলানোও যেন অনেকটা  প্রাপ্তি।


 ট্রেনে উঠে বসতে জায়গা পেয়ে গিয়েছিলাম। গন্তব্য হাওড়া স্টেশন। ট্রেন  ঢুকলো দশটা পঁচিশ মিনিটে । হাওড়া পৌঁছাবার সময় সোয়া এগারোটায়। কিন্তু ট্রেনটা গন্তব্যে প্রবেশ করল আরো পনেরো মিনিট দেরিতে। অতএব আমরা যখন হাওড়া স্টেশনে নামলাম ঘড়িতে বাজে এগারোটা পঁয়তাল্লিশ মিনিট।


অতক্ষণ ট্রেনে চুপ করে সময় কাটানো সত্যিই আমার মত মানুষের পক্ষে অসম্ভব। আর বরমশাইয়ের সাথে বাইরে বেরোলেই দেখেছি কথা বলতে বলতে ঝগড়া বেঁধে যায়। তাই বেশি কথা বলি না। সুতরাং  আমি যখনই বেড়াতে বের হই ব্যাগে একটা করে বই নিয়ে যাই। সোশ্যাল মিডিয়া তেও সবসময় একটিভ থাকতে ভালো লাগে না । একটা বৃহত্তর সমাজের এক অংশ রাতারাতি সোশ্যাল মিডিয়াকে কেন্দ্র করে পয়সা কামানোর বাসনায় কুরুচি পূর্ণ পোশাক পরে অঙ্গভঙ্গির বিকৃতি স্থাপন করে। যা সত্যিই দৃষ্টিকটু লাগে। আমি ভাবি তাদের কি লজ্জা, ঘেন্না সবই উবে গেছে ! তাদের পরিবারের কেউ কি এই গুলো দেখেনা, তারা সমাজে বের হয় কিভাবে? সোশ্যাল মিডিয়া অন করলেই ওই সব রিল চোখে পড়ে। তাই আমি সাহিত্যিক পেজগুলো একটু পড়ি এবং চেনা পরিজনদের ছবি দেখতে অল্পক্ষণের জন্য সোশ্যাল মিডিয়াতে থাকি। আমি মনে করি বই আমার শ্রেষ্ঠ বন্ধু। অবসরের সাথী। এখনো আছে সারা জীবন থাকবেও। 


আমি আমার বর আমার ছেলে, আমরা এই তিনজনেই বেরিয়েছিলাম ।দারুন ছিল কিন্তু আজকের দিনটা। আমার ছেলে তো জানালার ধারে জায়গা পেয়ে গিয়েছিল ট্রেনে। ও খুব খুশি।  প্রকৃতির আনাগোনা, সাথে   শহুরে বাড়িঘর ছাড়িয়ে ট্রেন ছুটছে অবিরত । এসব দৃশ্য দেখতে দেখতে আমরা পৌঁছে গেলাম হাওড়া। ওখান থেকে এবার আমরা যাব প্রথমে চাঁদনী চকে ।আমাদের কলকাতা যাওয়ার আসল উদ্দেশ্য হল এটাই ।আসলে বরমশাইয়ের ল্যাপটপটা সমস্যা হচ্ছে। ডিসপ্লে চেঞ্জ করার জন্য সেখানে যেতে হতো। ল্যাপটপ রিপেয়ারিং করাতে দিলে রেপেয়ারিং সেন্টারের কর্মীরা বলেন দু ঘন্টা কিংবা তিন ঘন্টা টাইম লাগবে।  ততক্ষণ আর একা  কি করবে ? কিভাবে সময় কাটবে । তাই আমাদেরও সঙ্গে করে নিয়ে এলো। আর এই ফাঁকে কলেজস্ট্রিট যাওয়া  হবে এই লোভেই আমিও এক পায়ে খাড়া হয়ে গেলাম।



হাওড়া থেকে মেট্রো ধরে আমরা প্রথমে এস প্লানেট এলাম । সেখান থেকে মেট্রো চেঞ্জ করে চাঁদনী চক। খুব বেশি মেট্রোরেল চড়া হয় না। অনেকদিন পরপরই এই সুযোগ পাই। ভালোই লাগছিল বেশ। আমার ছেলে আর্য ওরই সবচেয়ে বেশি আনন্দ হয়েছে। ওর হাসি মুখটা দেখেই আমার মনটা আরো ভালো লাগছিল। প্রথমে চাঁদনী চকে নেবে আমরা ল্যাপটপটা সারানোর কাজ সেরে ফেললাম। সময় লাগলো দেড় ঘন্টা মত। ঘড়ির কাঁটা তখন দুপুর দুটো কুড়ি মিনিট।


 আচ্ছা, আমরা চাঁদনী মার্কেটে ই মলে একটা রিপেয়ারিং সেন্টারে গিয়েছিলাম ।ওই শপের পাশেই ছিল কপি ক্যাফে ডে। আর্য একটু বায়না করছিল কপি খাবে সচরাচর ও খাওয়ার জন্য বায়না করে না আমার ছেলে ফাস্টফুড খেতে পছন্দই করে না। কিন্তু সেদিন একটু বায়না ধরে ছিল তাই ওকে ডেভিলস ওউন এন্ড সিগনেচার, কোকো ফ্যান্টাসি কিনে দিয়েছিলাম দাম নিয়েছিল ৬৫০ টাকা। 


এরপর কাজ মিটিয়ে আমরা একটা ট্যাক্সি করে চলে এলাম সেই আমার কাঙ্খিত স্বপ্নের জায়গাটায়।  কলেজ স্ট্রিট এ। যদিও আজ রবিবার ,অধিকাংশ দোকানই বন্ধ তবুও কয়েকটা দোকান খোলা আছে। আমি তাতেই খুশি। অনেকটাই ঘুরে ঘুরে দেখলাম মনে হচ্ছিল সব গল্পের বইগুলিই কিনে ফেলি । কিন্তু এসেছি যখন খালি হাতে তো আর ফিরবো না। কিনলাম তিনটে বই ।আশাপূর্ণা দেবীর গল্পসমূহ, ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়ের রচনা সমূহ আর তিতাস একটি নদীর নাম অদ্বৈত মল্লবর্মণ এর লেখা।



 আমি যেহেতু ছেলেকে নিজেই পড়াই ওর কোন টিউশন টিচার নেই তাই আমার ছেলে এই তিনটি বই আমায় উপহার দিয়েছিল টিচার ডে উপলক্ষ্যে । উপহারটা কেমন হয়েছে সকলে জানাবেন।  এরপর আরো একটা জায়গায় আমরা গিয়েছিলাম সেটি হল বাঙালির ইমোশন কফি হাউস । সেই বিখ্যাত মান্না দের গান" কফি হাউসের সেই আড্ডাটা আজ আর নেই,

 আজ আর নেই। "

এই কফি হাউসটাকে কেন্দ্র করেই  গানটি লেখা হয়েছিল। আমি আগে অনেকবার কলেজ স্ট্রীটে এসেছি।  কিন্তু এখানে আসিনি। এই প্রথম আজ এলাম।  এটা একটা সত্যি দারুন অনুভূতি। পা রাখা মাত্রই ভাবছিলাম এখানে কত গুণী, সাহিত্যিক ,সঙ্গীত জগতের মানুষের পদধলি পড়েছে।  আমরা  কোল্ড কপি তিন গ্লাস, এক প্লেট হক্কা চিকেন চাওমিন ,এক প্লেট ফ্রাই মোমো, এক প্লেট মাটন কাবাব নিয়েছিলাম। দাম পড়েছিল সব মিলিয়ে ৬৪০ টাকা।


 এরপর বাড়ি ফেরার পালা । অনেকটা আনন্দ খুশির মুহূর্ত গুলো কুড়িয়ে আমরা বাড়ির উদ্দেশ্যে রওনা দিলাম। ফিরলাম রাত নটায় । এই দিনটার স্মৃতি আমার জীবন থেকে যাতে মুছে না যায় তাই বন্দি করে রাখলাম আমার ব্লগে। কেমন লাগলো আজকের ব্লগ টা সকলে জানাবেন কিন্তু। আর হ্যাঁ ,ছবিগুলো কেমন হয়েছে অবশ্যই জানাবেন। পরিশেষে একটা কথাই বলব শিক্ষক দিবসে পাওয়া এই উপহারটা আমর জীবনের অন্যতম সেরা প্রাপ্তি। যেটা আমার সারা জীবন মনে থাকবে। আমার ছেলের হাত থেকে পাওয়া এই তিনটে বই যার কোন মূল্য দিয়ে তুলনা করা যায় না।


আজকের ব্লগটা এখানেই শেষ করলাম। আবার আসবো নতুন লেখা নিয়ে। সকলে ভালো থাকবেন ও সুস্থ থাকবেন। 

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্যসমূহ