আচ্ছা বাথরুম পরিস্কার করার অভিজ্ঞতা যদি আমি লিখি এটা কি খুবই অভদ্রতার পরিচয় দেওয়া হবে কি? আসলে আমার লেখা গুলো কোন কালেই সাহিত্যধর্মী নয়। আমার নিত্যদিনের ডায়েরি লেখার শখ আছে সেই সুতো ধরেই আমি নিজস্ব সাইটে লিখছি। তা যে প্রসঙ্গটা নিয়ে কথা বলছিলাম, আজ ছিল আমার বাথরুম পরিষ্কার করার দিন। সপ্তাহে দুদিন আমি ডিপ ক্লিনিং করি।
আগের দিন রাত থেকেই আমার মাথায় চিন্তা ঢুকে যায় পরের দিনই এই মহান কাজটা আমায় করতে হবে। জানেন তো, ওতো ভেবে তো লাভ নেই। যেটা আমার কাজ আমাকেই করতে হবে। তবু কেন জানি না অযথা মাথার মধ্যে কাজের হিসাব গুলো ঘুরতেই থাকে।
ঘুম থেকে উঠেই তো আর ওসব কাজ করবো না। তবু সারাদিনের কাজের মাঝে সেই একটা চিন্তাই ঘোরে ফেরে। আপনারা বলবেন এটা কি এমন কাজ, এসব তো সব বাড়ির লোকই করে। কিন্তু আমার জানেন তো কাজটা করতে একদম ভালো লাগে না। তাড়াতাড়ি করে রান্না বান্না সেরে , যতক্ষনে দুটো বাথরুম একদম ঘষা, মাজা করে ঝাঁটা দিয়ে ধোব ততক্ষণ আমার শান্তি নেই।
শেষমেশ প্রতিবার কাজটা ভালো ভাবেই সম্পন্ন হয়। তবু আমি এই একটা মাত্র কাজের জন্যই খুব চিন্তা করি। সংসারের এই কাজটা যেন আমার কাছে খুবই বিরক্তিকর। আজও সকাল থেকে মনটা বেশ উসখুস করছিল। কখন ঝামেলাটা মেটাতে পারবো। অবশেষে হলো।
আসলে কি বলুন তো আমরা গ্রাম সাইটে থাকি। বাথরুম ঝা চকচকে মার্বেল/ টাইলস বসানো নয়। লাল ও সিমেন্ট মেঝের। তাই ঝাঁটা দিয়ে রোগরে ধুতে হয়। তাই আপনাদের সাথে হয়তো আমার এই কাজটার হিসাব এক হবে না। আচ্ছা আপনাদেরও কি সংসারের এই স্পেশাল কাজটা করতে অনীহা লাগে? আমায় কমেন্ট করে জানাবেন।
জানি , একই টপিক নিয়ে একঘেয়েমি কথাবার্তা ভালো লাগছে না। চলুন একটু অন্য কথা বলা যাক। আমি গতকাল ৪ টে অণুগল্প লিখেছিলাম কেমন লাগলো জানাবেন। আমি সাহিত্যধর্মী কোন গঠনমূলক কমেন্ট আশা করি না। সেই স্পর্ধা আমার নেই। আমার বানানো অণুগল্প গুলো আমার জীবনদর্শন থেকে উপলব্ধি করা। আমি যা দেখি, যা চোখের সামনে ঘটে তা নিয়েই লিখি।
সেভাবেই অণুগল্প গুলো লেখা। আমার ইচ্ছে আছে আরও কিছু গল্প লেখার। তবে সেটা সাহিত্যের দিক থেকে বিচার না করে জীবনদর্শনের সূক্ষ অনুভব ভাবতে পারেন।
আমি খুব বেশি ফেসবুক, ইন্সট্রাগ্রামে সময় দিই না। এত এত রিলস, ভিডিও এর চক্করে পড়লে আমার সারাদিনের টাইম সব জলে চলে যাবে। আসলে ওসব খুললে নিজের মনকে আটকাতে পারি না। অনলাইন শপিং, অধ্যান্তিক কনটেন্ট, খাওয়া- দাওয়ার ভিডিও এগুলো আমার সবচেয়ে পছন্দের। আর অনলাইনে অনেক লেখক লেখিকাদের পোস্ট গুলো ও দেখি। আপনারা সোশ্যাল মিডিয়ায় কোন গুলো দেখতে বেশি পছন্দ করেন?
আজকাল জানেন , সবাই ঠাকুর সাজছে মেকআপ আর্টিস্ট দিয়ে । এটার ইতিবাচক , নেতিবাচক আমি কিছুই বলতে পারবো না। কিন্তু কমেন্ট বক্সে অনেক নেতিবাচক কথা দেখি। আমি ভাই খুব ঈশ্বরে বিশ্বাসী। আপনারা এই ভিডিও গুলো কেমন ভাবে নেন?
আর সস্তার নগড়া রিলসে তো ফেসবুক, ইন্সট্রাগ্রাম ছেয়ে গেছে। জানিনা সমাজটার ভবিষৎ কি। আর সবাই এতেই সময় নষ্ট করছে। আমি সারাদিনে মোট হয়তো ৩০ মিনিট ফেসবুক, ইন্সট্রা তে থাকি তার বেশি নয়। আমি একটু এই ব্লগ লিখি। অবসরে বই পড়ি। এই বেশ ভালো আছি।
তাছাড়া আমার ছেলেটাও খুব ছোট। ক্লাস থ্রী তে পড়ে। ওর সামনে আমি যদি সবসময় ফোন ব্যবহার করি , ওর ও তো ইচ্ছে করবে। তাই নিজেকে একটু সংযত রাখি। এতে আমার ছেলেরও উপকার আর আমারও।
আজকের ব্লগটা তবে এতটুকুই। আবার ফিরবো আগামী কাল নতুন কোন অনুভূতির গল্প শোনাতে। আজ তবে আসি। সকলে ভালো থাকবেন। সুস্থ থাকবেন।
0 মন্তব্যসমূহ