পরীক্ষা শেষ, এবার একটু হুল্লোড়!
অবশেষে ছেলের ফার্স্ট ইউনিট টেস্টের পরীক্ষাগুলো আজ শেষ হলো! গত কয়েকটা দিন ওর ওপর দিয়ে যে ধকল গেছে, তাই আজ ওকে পড়াশোনা থেকে একদম ছুটি দিয়ে দিয়েছিলাম।
একটা দারুণ সন্ধ্যার আমেজ নিতে আমরা তিনজন—আমি, আমার বর আর আমাদের ছোট্ট সোনা—মিলে বেরিয়ে পড়লাম শহরের রাস্তায়।
সন্ধ্যা নামতেই আমাদের প্রথম গন্তব্য ছিল ফুচকার দোকান। টক-ঝাল ফুচকার স্বাদ মুখে পড়তেই যেন সারা সপ্তাহের সব ক্লান্তি এক নিমেষে উধাও হয়ে গেল! ফুচকা পর্ব শেষ করে চলল আইসক্রিম খাওয়া। ঠাণ্ডা মিষ্টি আইসক্রিমের কামড়ে ছেলের মুখের ওই চওড়া হাসিটাই ছিল আজকের সন্ধ্যার সেরা প্রাপ্তি।
এরপর আমরা গেলাম একটা শপিং মলে। সেখানে টুকিটাকি কেনাকাটার পাশাপাশি ঘরের জন্য পনির, বাটার আর বিস্কুট নেওয়া হলো। তবে সামনেই আবার হাফইয়ার্লি পরীক্ষা, তাই ঢিলেমি দেওয়ার সুযোগ নেই! ছেলের জন্য প্রয়োজনীয় নতুন খাতা আর পেন্সিলও কিনে নিলাম আজই।
কেনাকাটা আর খাওয়াদাওয়ায় মাখানো এই ছোট্ট, সাধারণ সন্ধ্যাটা আমাদের তিনজনের ব্যস্ত জীবনে এক টুকরো খাঁটি আনন্দ দিয়ে গেল। পরিবার নিয়ে কাটানো এই সুন্দর মুহূর্তগুলোই তো জীবনকে এত স্পেশাল করে তোলে!
বাড়ি ফেরার পথে ছেলের চোখে , মুখে যে তৃপ্তির হাসিটা দেখেছিলাম সেটাই আমার কাছে ভীষণ আনন্দের। ওর সুখেই তো আমাদের সুখ। বেচারা এই কদিন পরীক্ষার অনেক ধকল সয়েছে। এইরকম ছোট ছোট অনুভূতি, আর মিষ্টি সময় গুলোই তো আমাদের জীবনকে এত শান্তিপূর্ণ করে তোলে।
আজ এতটুকুই। আজকের ব্লগটা আমি ঘুরে এসে রাতে লিখলাম। এখন বাজে রাত 10: 44মিনিট। এবার শুতে যাবো। আবার আসবো আগামী কাল নতুন কোন অনুভূতির ডালা সাজিযে।

0 মন্তব্যসমূহ