( এই যে এটা আমার আমি। )
আজকের দিনটা কেমন কাটল – মন থেকে বলছি...
আজ সকালটা শুরু হয়েছিল এক কাপ চায়ের গন্ধে। জানলার পাশে বসে কেবল পাখির ডাক শুনছিলাম, যেন তারা প্রতিদিনকার মতো আমায় ডেকে বলছিল – “উঠে পড়ো, সময় কিন্তু কারও জন্য অপেক্ষা করে না।” অথচ মনটা যেন বিছানার চাদরে আরও একটু জড়িয়ে থাকতে চাইছিল।
ঘুমচোখে রান্নাঘরে ঢুকে প্রথম কাজই ছিল ছেলের টিফিন বানানো। প্রতিদিনের মতোই মেনুতে ছিল তার পছন্দের পরোটা আর আলুর দম। ওকে স্কুলে পাঠিয়ে যখন ঘরে ফিরলাম, তখন যেন নিঃশব্দ ঘরটা হঠাৎ খুব একা মনে হচ্ছিল।
এরপর শুরু হলো নিজের সময়। কিন্তু সত্যি কি তা নিজের সময়? বালতির কাপড়, বাসন মাজা, বিছানা গুছানো, আলমারির জামা সাজানো, এই সবই তো প্রতিদিনকার দায়িত্ব। সময়ের সঙ্গে তাল মিলিয়ে ছুটছি, কিন্তু কোথায় যাচ্ছি ঠিক বুঝি না।
দুপুরে একটু সময় বের করে নিলাম নিজের জন্য। এক কাপ কফি আর পুরনো সেই ডায়েরি – যেখানে আজও লেখা আছে আমার ফেলে আসা দিনগুলোর গল্প। সেই লেখা পড়ে একটা কথা মনে হল – কবে যেন শুধু মেয়ে ছিলাম, এখন কেবল মা, বউ, বউমা, আর গৃহিণী হয়ে গেছি। আমার "আমি" কোথায় যেন একটু একটু করে মিলিয়ে গেছে এই পরিচয়ের ভিড়ে।
আজ দুপুরে হঠাৎ ফোন এল কলেজের এক বান্ধবীর। সে এখন দিল্লিতে, দুটো ছেলেমেয়ে নিয়ে সংসার করছে। বলল, "তুই এখনও লেখালেখি করিস তো?" কথাটা শুনে বুকের ভিতর কেমন করে উঠল। হ্যাঁ, আমি লিখি, কিন্তু কোথায় যেন সেই আগুনটা আর নেই।তবুও ভাবলাম – "আবার শুরু করবো, ঠিক করব।
আমার ব্লগ আপনাদের কেমন লাগছে পড়তে বন্ধুরা? কমেন্ট করে জানাবেন। শেয়ার করতে পারেন আপনার জীবনের ও কিছু টুকরো টুকরো স্মৃতি কথা।

1 মন্তব্যসমূহ
9F6D7ED0
উত্তরমুছুনanadolu yakası olgun esçort
esçort uşak
sapanca esçort
tepebaşı esçort
esçort bayan erzurum
esçort adıyaman
esçort bayan urfa
pendik olgun esçort
ceyhan esçort