ভেজিটেবল স্যুপ রেসিপি ও জেনে নিন স্যুপ খাওয়ার উপকারিতা

Vegetable soup


আজ তোমাদের সাথে শেয়ার করতে চলে এলাম ভেজিটেবল স্যুপ রেসিপি। এটি শীত কালের স্যাঙ্কস এ খাওয়ার জন্য একদম পারফেক্ট রেসিপি। চটজলদি হয়েও যাবে। আর এর স্বাস্থ্য গুন ও অনেক । বাচ্ছা থেকে বুড়ো সকলের জন্যই খুবই পুষ্টিকর একটি খাবার এটি। 



প্রথমেই জেনে নেব ভেজিটেবল( সবজি) স্যুপ এর উপকারীতা সম্পর্ক কিছু তথ্য: 


ভেজিটেবল ( সবজি)স্যুপ বিভিন্ন ধরণের শাক সবজি মিলিয়ে তৈরি হয়। তাই এর পুষ্টিগুণ অনেক। ভেজিটেবল স্যুপ কোষ্ঠকাঠিন্য থেকে আমাদের মুক্তি দেবে। 

বদ হজমের সমস্যা থেকে মুক্তি দেবে।

ডায়বেটিস রুগী দের জন্য খুবই উপকারী একটি পদ হলো ভেজিটেবল স্যুপ। 

যাদের শরীরের ওজন বেশি, কমাতে চাইছো তারা রাতের ডিনারে এই ভেজিটেবল (সবজি ) স্যুপ খেতে পারো। খুবই উপকার পাবে। এটি শরীরের ওজন কমাতে সাহায্য করবে। পাশাপাশি শরীরে প্রোটিনের চাহিদাও মেটাবে।


ছোট বাচ্চাদের ও এই ভেজিটেবল (সবজি) স্যুপ খাওয়ানো যাবে। স্যুপ এ যেহেতু পেঁয়াজ, রসুন , গোলমরিচ দেওয়া থাকে সুতরাং হালকা গরম অবস্থায় এটি যদি বাচ্ছাদের তৈরি করে দেওয়া যায় বাচ্ছাদের সর্দি, কাশি হলে তা সারিয়ে তুলতে সাহায্য করবে। অনেক সময় সর্দি, কাশি, জ্বর হলে বাচ্ছারা কিছু খেতে চাই না। কিন্তু এই রান্না টা টেস্টি ও রংবেরং এর হওয়ার ফলে বাচ্ছাদের দৃষ্টি আকর্ষণ করে। ও বাচ্ছাদের মুখের রুচি ফেরাতেও সাহায্য করে।

তাছাড়া স্যুপ শরীর কে হাইড্রেটেড রাখতে ভীষণ ভাবে সাহায্য করে। 


এবার চলে যাবো সরাসরি ভেজিটেবল স্যুপ এর রেসিপি তে: 


ভেজিটেবল স্যুপ করতে যে সকল উপাদান প্রয়োজন তা হলো:

১: গাজর : ১কাপ


২:বিনস কুচি: ১


৩:পেঁয়াজ কলি কুচি: ১



৪:ক্যাপসিকাম কুচি: ১



৫ : বাঁধাকপি কুচি ও ধনেপাতা কুচি: ১কাপ ও ধনেপাতা হাফ কাপ


৫:পেঁয়াজ কুচি : হাফ কাপ ( পেঁয়াজ কলির নিচের সাদা অংশ টা নিয়েছি। তোমরা পেঁয়াজ কুচিও ব্যবহার করতে পারো। )


৬:রসুন কুচি : ২ টেবিল চামচ



৭'আদা চ্যাঁচা: ১ টেবিল চামচ


৮:নুন: প্রয়োজন মতো


৯:বাটার/ মাখন : ২ চামচ ( সাদা তেল ও ব্যবহার করতে পারো)


১০:গোলমরিচ গুড়ো: হাফ টেবিল চামচ


১১: কর্ন ফ্লাওয়ার / ওটস গুড়ো : ২ চামচ। যারা স্বাস্থ্যকর স্যুপ খেতে চাইছো তারা কর্নফ্লাওয়ার এর পরিবর্তে ওটস গুড়ো দিও।


১২:লেবুর রস : ১ টেবিল চামচ

Vegetables


রান্না শুরু করা যাক :

প্রথমে ওভেন এ প্যান বসিয়ে দিন। তারপর প্যান গরম হয়ে এলে তাতে ২ চামচ মাখন দিতে হবে।


মাখন গোলে গেলে এই পর্যায়ে রসুন কুচি ও আদা কুচি দিয়ে একটু নেড়ে নিতে হবে।


এবার পেঁয়াজ কুচি যোগ করে অল্প ভেজে নিতে হবে।


তারপর সমস্ত রকম ভেজিটেবল গুলো ওতে দিয়ে মিনিট ৪/৫ মিডিয়াম আঁচে দিয়ে হালকা ফ্রাই করে নিতে হবে। পুরোপুরি ভাজার দরকার নেই।

Vegetables fry


এবার এতে ১ লিটার পরিমান জল দিতে হবে।  আর স্বাদ মতো নুন ও এই সময় দিয়ে দিতে হবে। মিনিট ৫ হাই ফ্লেমে ঢাকনা সহ ফোটানোর পর মিডিয়াম আঁচে আরো ১০ মিনিট ফোটাতে হবে। 

Coocking soup


ভেজিটেবল যত ছোটছোট করে কাটবে স্যুপ রান্না তত তাড়াতাড়ি হবে।


১০ মিনিট পর ঢাকনা খুলে দেখলে দেখা যাবে সমস্ত ভেজিটেবল নরম হয়ে গেছে। অন্যদিকে একটি ছোট বাটিতে হাফ কাপ গরম জল নিয়ে ২ চামচ কর্নফ্লাওয়ার ওতে গুলে নিয়ে স্যুপ এ যোগ করে দিতে হবে। যাতে স্যুপ টা একটু ঘন হয়। এরপর  এতে গোলমরিচ গুড়ো ও লেবুর রস দিয়ে লাস্ট এ ওপর থেকে ধোনে পাতা কুচি ছড়িয়ে দিলেই রেডি ভেজিটেবল স্যুপ ।


দরকারি টিপস : ১:

 যত ভিন্ন ভিন্ন রকম ভেজিটেবল ( সবজি)  দিয়ে এই স্যুপ তৈরি করবে ততই এর পুষ্টিকারী তা বেশি পাবে ।

 

 ২: ভেজিটেবল যত ছোট ছোট করে কাটা হবে। তত তাড়াতাড়ি রান্না টা হবে ।


৩: অনেকেই ভেজিটেবল স্যুপ এ চিনি দেয়। এতে স্বাদ এর ব্যালেন্স টাও ভালো হয়। তোমরা চাইলে চিনি দিতে পারো অল্প।


৪: স্যুপ এর ঘনত্ব বাড়ানোর জন্য কর্নফ্লাওয়ার দেওয়া হয়। না দিয়েও তৈরি করা যায় ভেজিটেবল স্যুপ। কর্ন ফ্লাওয়ার গুড়ো না দিতে চাইলে ওটস গুড়ো দিয়েও ঘনত্ব আনা যায়।


৫: বাটার বা সাদা তেল যেকোন একটা এই স্যুপ তৈরিতে ব্যবহার করতে পারো।


৬: সস ও ব্যবহার করা যেতে পারে। যেমন সোয়া সস, চিলি, সস, টমেটো সস। তবে স্বাস্থ্যকর স্যুপ করতে চাইলে  মানে রুগীর জন্য কিংবা বাচ্ছার জন্য কিংবা ওজন কমানোর জন্য তাহলে এই সস গুলি ব্যবহার না করাই ভালো। 


আজ কের রেসিপি যদি ভালো লেগে থাকে অবশ্যই বাড়িতে তৈরী করে ফেলুন। এবং আমায় জানাবেন কেমন লাগলো। সকলে সুস্থ থেকো। ভালো থেকো। 




একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

3 মন্তব্যসমূহ


  1. Ein erfolgreicher Umgang mit Cybervorfällen erfordert schnelles Handeln. Die Phasen der Eindämmung, Beseitigung und Wiederherstellung sind entscheidend, um Schäden zu minimieren. Unternehmen müssen in ihre Incident Response-Strategien investieren, um für unvorhergesehene Ereignisse gewappnet zu sein. Ein Beispiel ist das NotPetya-Angriff im Jahr 2017, der zahlreiche Firmen weltweit betroffen hat und massive Verluste verursachte. Eine Weiterbildung in Cybersecurity kann dabei helfen, effektive Notfallpläne zu entwickeln und die Reaktionsfähigkeit zu erhöhen. Es empfiehlt sich auch, aktuelle Standards wie ISO 27001 oder Regelungen wie §202c StGB zu berücksichtigen; auf diese Weise bleibt man rechtlich abgesichert und gut vorbereitet auf zukünftige Herausforderungen. Weitere Informationen finden Sie auf csvisor.de.

    উত্তরমুছুন